গতিসীমা
গতিসীমা – রেলওয়ে জিকে ক্যাপসুল
১. “গতিসীমা” কী?
গতিসীমা হল একটি “স্পিড সার্টিফিকেট” বা “বিশেষ নির্দেশ” এর মাধ্যমে আদেশকৃত, অনুমোদিত বিভাগীয় গতির নিচে যেকোনো বাধ্যতামূলক হ্রাস। এটি অস্থায়ী (টিএসআর – অস্থায়ী গতিসীমা) বা স্থায়ী (পিএসআর – স্থায়ী গতিসীমা) হতে পারে।
২. প্রযুক্তিগত সংজ্ঞা ও মূল পরিভাষা
| পরিভাষা | সংজ্ঞা | রেফারেন্স |
|---|---|---|
| অনুমোদিত গতি | বিভাগের জন্য সিআরএস কর্তৃক অনুমোদিত সর্বোচ্চ গতি। | ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ওয়ে-ওয়ার্কস ম্যানুয়াল ২০২১ |
| সময়সূচী গতি | যে গতিতে একটি ট্রেনের সময়সূচী তৈরি করা হয়; ≤ অনুমোদিত গতি। | আইআরসিএ কনফারেন্স নিয়ম |
| স্থায়ী গতিসীমা (পিএসআর) | কার্যকরী সময়সূচী (ডব্লিউটিটি) ও স্থায়ী পথের ডায়াগ্রামে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। | এসওডি (মাত্রার তফসিল) |
| অস্থায়ী গতিসীমা (টিএসআর) | সতর্কতা আদেশের মাধ্যমে আরোপিত, ৬ মাসের কম বৈধ যদি না বর্ধিত করা হয়। | এসওডি ৪.০৪, ৪.০৫ |
| সতর্কতা আদেশ (সিও) | লোকো পাইলটকে দেওয়া লিখিত পরামর্শ; বিভাগীয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃক জারি। | জিএন্ডএসআর ৯.১৩ |
| গতি সার্টিফিকেট | পিডব্লিউআই কর্তৃক জারি ও ডিইএন কর্তৃক অনুমোদিত; সিনিয়র ডিওএম কর্তৃক কাউন্টারসাইনকৃত। | ওয়ে-ওয়ার্কস ম্যানুয়াল ৭.৩ |
| ট্র্যাকশন-ভিত্তিক সীমাবদ্ধতা | একই ট্র্যাকের জন্য বৈদ্যুতিক ও ডিজেল স্টকের বিভিন্ন সীমা। | আরডিএসও সার্কুলার ইডব্লিউ-০২-২০১৯ |
৩. গতিসীমা – বিভাগ ও মান
ক. জ্যামিতি-ভিত্তিক পিএসআর (সাধারণ)
| বক্রতার ব্যাসার্ধ (মি) | ঢাল ≤ ১ঃ১০০ | ঢাল ১ঃ৫০–১০০ | ঢাল ≥ ১ঃ৫০ |
|---|---|---|---|
| ≤ ৪০০ | ৫০ কিমি/ঘণ্টা | ৪৫ কিমি/ঘণ্টা | ৪০ কিমি/ঘণ্টা |
| ৪০০–৮৭৫ | ৭৫ কিমি/ঘণ্টা | ৭০ কিমি/ঘণ্টা | ৬৫ কিমি/ঘণ্টা |
| ≥ ৮৭৫ | ১০০ কিমি/ঘণ্টা | ৯৫ কিমি/ঘণ্টা | ৯০ কিমি/ঘণ্টা |
খ. পয়েন্ট ও ক্রসিং
- সাধারণ সুইচ (১ঃ১২): সম্মুখ দিকে ১৫ কিমি/ঘণ্টা ও পশ্চাদ্দিকে ৩০ কিমি/ঘণ্টা।
- সিএমএস (কাস্ট ম্যাঙ্গানিজ স্টিল) ১ঃ১৬/২০ পুরু-ওয়েব টাং রেল সহ: ২০১৮ রেট্রোফিটের পর ৫০ কিমি/ঘণ্টা (সম্মুখ) ও ৭৫ কিমি/ঘণ্টা (পশ্চাদ)।
গ. সেতু
- ঘাট বিভাগের খিলান সেতু (স্প্যান < ৩০ মি): ৭৫ কিমি/ঘণ্টা (বিজি), ৫০ কিমি/ঘণ্টা (এমজি ঐতিহ্য)।
- আরসি / পিএসসি গার্ডার অনুদৈর্ঘ্য আর্টিকুলেশন সহ: ১১০ কিমি/ঘণ্টা (বিজি) ০.১৫ গ্রি উল্লম্ব ত্বরণের দোলন পরীক্ষার সাপেক্ষে।
ঘ. ট্র্যাক কোয়ালিটি ইনডেক্স (টিকিউআই) ভিত্তিক টিএসআর
২০২২ সালে চালু: যদি টিকিউআই > ৬৫ (১.৫ মি কর্ড ভার্সাইন > ১২ মিমি) → পুনঃপৃষ্ঠতল না হওয়া পর্যন্ত ২০ কিমি/ঘণ্টা হ্রাস।
৪. ঐতিহাসিক কালপঞ্জি
- ১৮৫৪: প্রথম গতি “সীমা” – জিআইপিআর-এ “এক্সপ্রেস” এর জন্য ৩০ মাইল/ঘণ্টা (≈৪৮ কিমি/ঘণ্টা)।
- ১৯২৬: আগ্রায় হাওড়া–বোম্বাই মেইলের ডিরেলমেন্টের পর “গতি সার্টিফিকেট” পদ্ধতি প্রাতিষ্ঠানিকীকৃত।
- ১৯৫৭: স্টিম চালিত যাত্রীবাহী ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ৯০ কিমি/ঘণ্টা নির্ধারিত; মালবাহী ৬৫ কিমি/ঘণ্টা।
- ১৯৬৯: ১২০ কিমি/ঘণ্টা গতি সহ রাজধানী চালু; প্রথম ১ঃ২০ সুইচ ৬০ কিমি/ঘণ্টা অনুমোদন দেয়।
- ১৯৮৮: দিল্লি–আগ্রা বিভাগে সিআরএস কর্তৃক ১৩০ কিমি/ঘণ্টা অনুমোদিত (প্রথম < ১৬০ কিমি/ঘণ্টা)।
- ২০১৪: মিশন রফতারের – গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারালে বিভাগীয় গতি ১৬০ কিমি/ঘণ্টায় উন্নীত করার লক্ষ্য।
- ২০১৮: গাজিয়াবাদ–আলিগড়ে স্বয়ংক্রিয় ‘সিগন্যালিং ভিত্তিক গতিসীমা’ (এসবিএসএস) চালু।
- ২০২০: টি-১৪ নীতি অনুসারে নয়া দিল্লি–মুম্বাই ডব্লিউআর রুটে প্রথম ১৬০ কিমি/ঘণ্টা গতির মালবাহী ট্রেন (রোল-অন রোল-অফ) চালানো।
- ২০২৩-২৪: ১৩০ কিমি/ঘণ্টার বেশি গতির জন্য কাভাচ (ইটিসিএস-এল১) বাধ্যতামূলক; এটিপি তত্ত্বাবধানে ট্রেন চলাকালীন সীমা প্রত্যাহার।
৫. বর্তমান অবস্থা ও সাম্প্রতিক আপডেট (২০২৩-২৪)
১. মিশন ১৬০: ৮,০০০ কিমি চিহ্নিত; অবকাঠামো উন্নয়নের পর ১,৪০০ কিমিতে পিএসআর প্রত্যাহার/শিথিল। ২. বন্দে ভারত (ভিবি): বিদ্যমান ট্র্যাকের উপর ১৩০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলে; ট্র্যাক বিভাগ ≥ “ভাল-খুব ভাল” (টিজিআই ৪১-৫০) হলে অতিরিক্ত পিএসআর নেই। ৩. কাভাচ করিডোর: যেখানেই কাভাচ চালু করা হয়েছে, কমিশনিং পর্যায়ে ১০ কিমি/ঘণ্টার টিএসআর আরোপিত; স্থিতিশীল অপারেশনের ৩০ দিন পর প্রত্যাহার। ৪. ডিজিটাল গতিসীমা মডিউল (ডিএসআরএম): সেন্ট্রাল রেলওয়ে-তে পাইলট (২০২৩); টিএসআর এখন সরাসরি ক্রু লবি ও লোকো এসআই ইউনিটে ফিড করা হয়। ৫. শাস্তি: পিএসআর/টিএসআর অমান্য করা – এসপিএডি (সিগন্যাল পাসড অ্যাট ডেঞ্জার) বিভাগ “এ” – এলপি/এএলপির ন্যূনতম ৭ দিনের সাসপেনশন। ৬. পরিবেশ-ভিত্তিক: দিল্লি-এনসিআর-এ জিআরএপি-চতুর্থ পর্যায়ে (নভেম্বর ২০২৩) দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ৮০ কিমি/ঘণ্টার টিএসআর আরোপিত।
৬. একটি টিএসআর আরোপ/প্রত্যাহারের পদ্ধতি
১. সনাক্তকরণ – পেট্রোলিং বা ইউএসএফডি পরীক্ষার সময় পিডব্লিউআই / এইএন। ২. গতি সার্টিফিকেট – তিন কপিতে পূরণ (সাদা, গোলাপী, সবুজ)। ৩. অনুমোদন – ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডিইএন; সিনিয়র ডিওএম কর্তৃক কাউন্টারসাইন। ৪. সিও জারি – বিভাগীয় নিয়ন্ত্রক; ক্রু লবি, স্টেশন ম্যানেজার, টিপিসি-তে কপি। ৫. পোস্টিং – প্রতিটি স্টেশনে একটি নোটিশ ও গার্ডের জার্নালে। ৬. পর্যালোচনা – প্রতি ৩০ দিনে; ৬ মাসের বেশি বর্ধিতকরণের জন্য পিএইচওডি ও সিই-এর সম্মতি প্রয়োজন।
৭. রেকর্ড সংরক্ষণ
- এসআর রেজিস্টার – প্রতিটি স্টেশনে; পৃষ্ঠা নম্বরযুক্ত ও ত্রৈমাসিক অডিট।
- সিও ফাইল – ১ বছরের জন্য সংরক্ষিত।
- গতি সার্টিফিকেট ফাইল – ৩ বছরের জন্য সংরক্ষিত বা স্থায়ী পিএসআর-এ রূপান্তরিত হলে স্থায়ীভাবে।
৮. প্রার্থীদের জন্য করণীয় ও বর্জনীয়
✔ করুন: মনে রাখবেন “অনুমোদিত ≥ সময়সূচী ≥ প্রকৃত”
✔ করুন: বক্ররেখা, পয়েন্ট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে এসওডি থেকে সঠিক কিমি/ঘণ্টা উদ্ধৃত করুন।
✘ করবেন না: “স্থায়ী” ও “অস্থায়ী” গুলিয়ে ফেলবেন না – পিএসআর ডব্লিউটিটিতে মুদ্রিত; টিএসআর সিও-তে।
✘ করবেন না: সেতু সীমাবদ্ধতা (সাধারণত ৭৫-১১০ কিমি/ঘণ্টা) ও টার্নআউট সীমাবদ্ধতা (১৫-৫০ কিমি/ঘণ্টা) গুলিয়ে ফেলবেন না।
৯. দ্রুত-অগ্নি তথ্য
- ভারতে সর্বোচ্চ পিএসআর: তুঘলকাবাদ–আগ্রা (ডব্লিউআর) – ১৯৯ কিমি-তে ১৬০ কিমি/ঘণ্টা।
- দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন টিএসআর: কারজাট–লোনাভালার মধ্যে ৩০ কিমি (ঘাট, ভেজা-আবহাওয়া ৫৫ কিমি/ঘণ্টা)।
- ২০০ কিমি/ঘণ্টা ট্রায়াল সহ একমাত্র বিভাগ: মুম্বাই–আহমেদাবাদ (কিন্তু এনআর-এর অধীনে; এখনও কার্যকর নয়)।
- ১৬০ কিমি/ঘণ্টা গতির জন্য সর্বনিম্ন ব্যাসার্ধ: ১,৭৫০ মি (ট্রানজিশন দৈর্ঘ্য ১২০ মি)।
- বিজি-এর জন্য অনুমোদিত সর্বোচ্চ ক্যান্ট ঘাটতি: ১০০ মিমি (সিএমএস ক্রসিং ও ১৬০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে ১২৫ মিমি)।
১০. অনুশীলন এমসিকিউ
১. বর্ধিতকরণ ছাড়া একটি অস্থায়ী গতিসীমার (টিএসআর) সর্বোচ্চ বৈধতা হল
ক) ৩ মাস
খ) ৬ মাস
গ) ৯ মাস
ঘ) ১২ মাস
Show Answer
সঠিক উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: এসওডি ৪.০৫ অনুসারে, একটি অস্থায়ী গতিসীমা আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ধিত না করা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬ মাস বৈধ থাকে।
২. গতি সার্টিফিকেট কাউন্টারসাইন করার জন্য যোগ্য কর্তৃপক্ষ কে?
ক) এডিআরএম
খ) সিনিয়র ডিইএন (সমন্বয়)
গ) সিনিয়র ডিওএম (সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশনস ম্যানেজার)
ঘ) ডিআরএম
Show Answer
সঠিক উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশনস ম্যানেজার (সিনিয়র ডিওএম) হলেন একটি বিভাগের মধ্যে গতি সার্টিফিকেট কাউন্টারসাইন করার জন্য অনুমোদিত কর্মকর্তা।
৩. বিজি-তে একটি ১-ইন-১২ সাধারণ টার্নআউটের স্থায়ী গতিসীমা হল
ক) ১০ কিমি/ঘণ্টা
খ) ১৫ কিমি/ঘণ্টা
গ) ৩০ কিমি/ঘণ্টা
ঘ) ৪৫ কিমি/ঘণ্টা
Show Answer
সঠিক উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ব্রড গেজে স্ট্যান্ডার্ড ১-ইন-১২ সাধারণ টার্নআউটগুলি নিরাপত্তার জন্য সম্মুখ দিকে ১৫ কিমি/ঘণ্টায় সীমাবদ্ধ।
৪. বিজি-তে ১৬০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে ট্রেন চালানোর জন্য সর্বনিম্ন ব্যাসার্ধ হল
ক) ১,২০০ মি
খ) ১,৫০০ মি
গ) ১,৭৫০ মি
ঘ) ২,০০০ মি
Show Answer
সঠিক উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: ১৬০ কিমি/ঘণ্টা উচ্চ গতিতে স্থিতিশীলতা ও যাত্রীসুবিধা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন বক্রতার ব্যাসার্ধ হল ১,৭৫০ মিটার।
৫. নিচের কোনটি কার্যকরী সময়সূচী (ডব্লিউটিটি)-তে পাওয়া যায় না?
ক) স্টেশনগুলির মধ্যবর্তী দূরত্ব
খ) স্থায়ী গতিসীমা (পিএসআর)
গ) অস্থায়ী গতিসীমা (টিএসআর)
ঘ) বিভাগীয় ক্ষমতা
Show Answer
সঠিক উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: অস্থায়ী গতিসীমা (টিএসআর) ঘন ঘন পরিবর্তিত হয় এবং সতর্কতা আদেশের মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়; এগুলি স্থায়ী কার্যকরী সময়সূচীতে তালিকাভুক্ত থাকে না।
৬. ভারতীয় রেলওয়েতে প্রথম ১৩০ কিমি/ঘণ্টা গতির জন্য অনুমোদিত বিভাগ ছিল
ক) মুম্বাই–পুনে
খ) দিল্লি–আগ্রা
গ) হাওড়া–দিল্লি
ঘ) চেন্নাই–বেঙ্গালুরু
Show Answer
সঠিক উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: দিল্লি–আগ্রা বিভাগটি ১৯৮৮ সালে প্রথম ১৩০ কিমি/ঘণ্টা অপারেশনের জন্য অনুমোদন পায়।
৭. জিআরএপি-চতুর্থ পর্যায়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য, দিল্লি-এনসিআর-এ ___ কিমি/ঘণ্টার একটি টিএসআর আরোপিত হয়।
ক) ৬০ কিমি/ঘণ্টা
খ) ৭৫ কিমি/ঘণ্টা
গ) ৮০ কিমি/ঘণ্টা
ঘ) ১০০ কিমি/ঘণ্টা
Show Answer
সঠিক উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে উচ্চ-স্তরের দূষণ সতর্কতা (জিআরএপি-চতুর্থ পর্যায়) এর অধীনে, পরিবেশগত প্রভাব প্রশমিত করার জন্য ৮০ কিমি/ঘণ্টার একটি গতিসীমা আরোপিত হতে পারে।
৮. গতি সার্টিফিকেটের “গোলাপী” কপিটি কোন বিভাগ দ্বারা সংরক্ষিত থাকে?
ক) অপারেটিং
খ) মেকানিক্যাল
গ) ইঞ্জিনিয়ারিং
ঘ) এসঅ্যান্ডটি
Show Answer
সঠিক উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: গতি সার্টিফিকেটের বহু-কপি বিতরণে, গোলাপী কপিটি ঐতিহ্যগতভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ দ্বারা তাদের রেকর্ডের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
৯. বিজি-তে ১৬০ কিমি/ঘণ্টা গতির জন্য অনুমোদিত সর্বোচ্চ ক্যান্ট ঘাটতি হল
ক) ৭৫ মিমি
খ) ১০০ মিমি
গ) ১২৫ মিমি
ঘ) ১৫০ মিমি
Show Answer
সঠিক উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: সিএমএস (কাস্ট ম্যাঙ্গানিজ স্টিল) ক্রসিং ব্যবহারের সাথে, ১৬০ কিমি/ঘণ্টা অপারেশনের জন্য ১২৫ মিমির একটি উচ্চতর ক্যান্ট ঘাটতি অনুমোদিত।
১০. যদি টিকিউআই (ট্র্যাক কোয়ালিটি ইনডেক্স) মান ৬৫ অতিক্রম করে, তবে আরোপিত গতিসীমা হল
ক) অনুমোদিত গতির চেয়ে ১০ কিমি/ঘণ্টা কম
খ) অনুমোদিত গতির চেয়ে ২০ কিমি/ঘণ্টা কম
গ) তাৎক্ষণিক থামানো
ঘ) ৩০ কিমি/ঘণ্টা নির্দিষ্ট গতি
Show Answer
সঠিক উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ৬৫-এর বেশি টিকিউআই দ্বারা নির্দেশিত খারাপ ট্র্যাক গুণমান বিভাগের স্বাভাবিক অনুমোদিত গতির চেয়ে ২০ কিমি/ঘণ্টা গতি হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে।
১১. কোন ট্রেনটি ১৯৬৯ সালে ১২০ কিমি/ঘণ্টা সময়সূচী গতি নিয়ে চালু হয়েছিল?
ক) শতাব্দী এক্সপ্রেস
খ) রাজধানী এক্সপ্রেস
গ) ডেকান কুইন
ঘ) ফ্রন্টিয়ার মেইল
Show Answer
সঠিক উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯৬৯ সালে নয়া দিল্লি ও হাওড়ার মধ্যে চালু হওয়া রাজধানী এক্সপ্রেস ছিল প্রথম ট্রেন যার ১২০ কিমি/ঘণ্টা সময়সূচী গতি ছিল।
১২. একটি গতি সার্টিফিকেটের রেকর্ড সংরক্ষণের সময়কাল যা পিএসআর-এ রূপান্তরিত হয়েছে তা হল
ক) ১০ বছর
খ) ২৫ বছর
গ) ৫০ বছর
ঘ) স্থায়ী
Show Answer
সঠিক উত্তর: ঘ
ব্যাখ্যা: একবার একটি গতি সার্টিফিকেট স্থায়ী গতিসীমা (পিএসআর) হয়ে গেলে, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র স্থায়ীভাবে রাখতে হবে।
১৩. কাভাচ কমিশনিং পর্যায়ে আরোপিত গতিসীমা হল
ক) ৩০ দিনের জন্য ১০ কিমি/ঘণ্টা
খ) ১৫ দিনের জন্য ২০ কিমি/ঘণ্টা
গ) ৭ দিনের জন্য ৩০ কিমি/ঘণ্টা
ঘ) ১০ দিনের জন্য ৫০ কিমি/ঘণ্টা
Show Answer
সঠিক উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কাভাচ সিস্টেমের প্রাথমিক কমিশনিং ও পরীক্ষার পর্যায়ে, সাধারণত ৩০ দিনের জন্য ১০ কিমি/ঘণ্টার একটি গতিসীমা আরোপিত হয়।
১৪. বর্তমানে ভারতীয় রেলওয়েতে সর্বোচ্চ কার্যকরী পিএসআর (স্থায়ী গতিসীমা) হল
ক) ১৩০ কিমি/ঘণ্টা
খ) ১৪০ কিমি/ঘণ্টা
গ) ১৫০ কিমি/ঘণ্টা
ঘ) ১৬০ কিমি/ঘণ্টা
Show Answer
সঠিক উত্তর: ঘ
ব্যাখ্যা: তুঘলকাবাদ–আগ্রা বিভাগটি বর্তমানে নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ কার্যকরী গতি ১৬০ কিমি/ঘণ্টা সমর্থন করে।
১৫. একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া গতিসীমা অমান্য করাকে কোন বিভাগের এসপিএডি হিসেবে গণ্য করা হয়?
ক) বিভাগ ক
খ) বিভাগ খ
গ) বিভাগ গ
ঘ) বিভাগ ঘ
Show Answer
সঠিক উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: সিগন্যাল পাসিং অ্যাট ডেঞ্জার (এসপিএডি) বিভাগ ক-তে গুরুতর নিরাপদ চলাচল লঙ্ঘন অন্তর্ভুক্ত, যেমন বিজ্ঞপ্তি দেওয়া গতিসীমা উপেক্ষা করা।
১৬. অনলাইন টিএসআর ফিডিংয়ের জন্য পাইলট ডিজিটাল মডিউলটিকে বলা হয়
ক) রেল-ক্লাউড
খ) ডিএসআরএম (ডিজিটাল গতিসীমা মডিউল)
গ) ই-কশন
ঘ) টিএমএস-স্পিড
Show Answer
সঠিক উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ডিএসআরএম হল অস্থায়ী গতিসীমার রিয়েল-টাইম ফিডিং ও ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।
সর্বশেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০২৬