প্রযুক্তি রেলওয়ে সিগন্যালিং সিস্টেম
রেলওয়ে সিগন্যালিং সিস্টেম – আরআরবি প্রযুক্তি জিকে ক্যাপসুল
১. ভারতীয় রেলওয়েতে সিগন্যালিং – এক নজরে
| প্যারামিটার | পরিসংখ্যান (২০২৪) |
|---|---|
| সিগন্যালিং এর অধীনে রুট কিমি | ৬৫,০০০ কিমি |
| প্যানেল/রুট-রিলে ইন্টারলকিং সহ স্টেশন | ৬,৮০০+ (≈ ৯৫ %) |
| ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং (EI) সহ স্টেশন | ১,৪৫০+ |
| অটোমেটিক ব্লক সেকশন (ট্র্যাক-সার্কিট ভিত্তিক) | ৩,৮০০ কিমি |
| টিপিডব্লিউএস / কাভাচ ফিটমেন্ট (লোকো) | ২,৭০০ লোকো |
| ডাটা-লগার ইনস্টল করা | ৫,৩০০ স্টেশন |
| এলইডি সিগন্যাল চালু | মোট কালার-লাইট সিগন্যালের ৯২ % |
| ব্লক সেকশনে ব্যবহৃত ৬০ কেজি / ৫২ কেজি রেল | ৯৮ % |
২. ভারতীয় রেলওয়ে সিগন্যালিং এর বিবর্তন ও শ্রেণিবিন্যাস
| যুগ | প্রভাবশালী সিস্টেম | উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| I (১৮৫৩-১৯২০) | মেকানিক্যাল লোয়ার-কোয়াড্রেন্ট সেমাফোর | তার-টানা লিভার, ২-অ্যাসপেক্ট |
| II (১৯২০-১৯৬০) | আপার-কোয়াড্রেন্ট সেমাফোর ও ৩-অ্যাসপেক্ট | বৈদ্যুতিক বাতি, ৩-পজিশন |
| III (১৯৬০-১৯৯০) | কালার-লাইট মাল্টিপল-অ্যাসপেক্ট (MACLS) | ৪-অ্যাসপেক্ট, রিলে লজিক |
| IV (১৯৯০-২০১০) | প্যানেল / রুট-রিলে ইন্টারলকিং | কেন্দ্রীভূত কেবিন, ৪-অ্যাসপেক্ট |
| V (২০১০-বর্তমান) | ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং + টিপিডব্লিউএস/কাভাচ | কম্পিউটার-ভিত্তিক, ক্যাব-সিগন্যালিং |
৩. সিগন্যাল অ্যাসপেক্ট, ইঙ্গিত ও গতি (৪-অ্যাসপেক্ট MACLS)
| অ্যাসপেক্ট | রং | ইঙ্গিত | অনুসরণীয় গতি |
|---|---|---|---|
| সবুজ (G) | সবুজ | ক্লিয়ার – পরবর্তী দুটি ব্লক মুক্ত | সর্বোচ্চ সেকশনাল গতি |
| ডাবল ইয়েলো (DY) | দুটি হলুদ | সতর্কতা – পরবর্তী সিগন্যাল ইয়েলোতে | ৬০ কিমি/ঘন্টা বা সর্বোচ্চের ৫০ % |
| ইয়েলো (Y) | একক হলুদ | মনোযোগ – পরবর্তী সিগন্যাল ডেঞ্জারে | ৩০ কিমি/ঘন্টা / ১৫ কিমি/ঘন্টা (অভিগমনকালে) |
| লাল (R) | লাল | থামুন – ডেড এন্ড | ০ কিমি/ঘন্টা |
৪. ব্লক সিস্টেমের প্রকারভেদ
| ব্লক ওয়ার্কিং | পদ্ধতি | অনুমোদিত সর্বোচ্চ গতি | লাইন ক্যাপাসিটি লাভ |
|---|---|---|---|
| অ্যাবসলিউট ব্লক (AB) | টোকেন / পেপার লাইন-ক্লিয়ার | ১৬০ কিমি/ঘন্টা | ভিত্তি |
| অটোমেটিক ব্লক (Auto) | ট্র্যাক-সার্কিট / অ্যাক্সেল-কাউন্টার | ১৬০ কিমি/ঘন্টা | ১৫-২০ % |
| সেন্ট্রালাইজড ট্রাফিক কন্ট্রোল (CTC) | রিয়েল-টাইম রিমোট | ১৬০ কিমি/ঘন্টা | ২৫ % |
| মুভিং ব্লক (কাভাচ) | রেডিও-ভিত্তিক | ১৬০ কিমি/ঘন্টা | ৩০ % |
৫. ইন্টারলকিং প্রযুক্তি – তুলনা
| বৈশিষ্ট্য | মেকানিক্যাল | রুট-রিলে | ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং (EI) |
|---|---|---|---|
| লজিক মাধ্যম | লিভার ও লকিং ট্রে | প্লাগ-ইন রিলে | মাইক্রোপ্রসেসর / FPGA |
| রুট সেট করার সময় | ৮-১২ সেকেন্ড | ৩-৫ সেকেন্ড | ১-২ সেকেন্ড |
| ব্যর্থতা পুনরুদ্ধার | ম্যানুয়াল | ম্যানুয়াল | অটোমেটিক হট-স্ট্যান্ডবাই |
| প্রতি স্টেশনে সর্বোচ্চ রুট | ≈ ৫০ | ≈ ২০০ | ১,০০০+ |
| নিরাপত্তা অখণ্ডতা স্তর | SIL-0 | SIL-2 | SIL-4 (CENELEC) |
৬. ট্রেন প্রোটেকশন ও ক্যাব-সিগন্যালিং
১. টিপিডব্লিউএস (ট্রেন প্রোটেকশন ও ওয়ার্নিং সিস্টেম) – অন-বোর্ড ম্যাগনেট ও বালিজ; ১৬০ কিমি/ঘন্টা বাধ্যতামূলক করে। ২. কাভাচ – স্বদেশী এটিপি; এলটিই-আর এ কাজ করে; SIL-4; লক্ষ্য: ২০২৫ সালের মধ্যে ৩,০০০ কিমি গোল্ডেন-কোয়াড্রিল্যাটারাল। ৩. ইটিসিএস লেভেল-২ (পরিকল্পিত) – ইউরো-রেডিও; অবিচ্ছিন্ন ক্যাব-সিগন্যালিং; ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোরে ২০০ কিমি/ঘন্টা।
৭. ডাটা-লগার, ওএফসি ও ইন্টিগ্রেটেড পাওয়ার সাপ্লাই
- ডাটা-লগার: মাইক্রো-ভিত্তিক ফল্ট-কাম-ইভেন্ট রেকর্ডার; ৯৬ ঘন্টা মেমরি; আরএস-৪৮৫ পোর্ট।
- ওএফসি ব্যাকবোন: ৬০,০০০ আরকিমি বরাবর ৬৪-কোর অপটিক-ফাইবার; এসডিএইচ ও এমপিএলএস-টিপি।
- আইপিএস (ইন্টিগ্রেটেড পাওয়ার সাপ্লাই): ১১০ ভি ডিসি ±১০ %; ব্যাটারি ব্যাক-আপ ২ ঘন্টা ফুল লোড; এসএমপিএস প্রযুক্তি।
৮. পরীক্ষার জন্য উপযোগী তালিকা
ক. সিগন্যাল গিয়ার – স্ট্যান্ডার্ড পরিমাণ
- পয়েন্ট মেশিন: ২২০ ভি ডিসি / ১১০ ভি এসি ডুয়াল-ভোল্টেজ
- ট্র্যাক সার্কিট: ৫০ ভি ডিসি / ১০.৫ ভি ডিসি (অডিও-ফ্রিকোয়েন্সি)
- অ্যাক্সেল কাউন্টার: ৩০ ভি ডিসি; রিসেট সময় ২ সেকেন্ড
- এলইডি সিগন্যাল: ২৫ ওয়াট ক্লাস্টার; আয়ু ১,০০,০০০ ঘন্টা
খ. আরডিএসও ও আন্তর্জাতিক মান
- আইআরএস: এস-২৩ (রিলে), এস-৩৫ (EI), এস-৯৯ (কাভাচ)
- CENELEC: EN-50126/8/9 (RAMS)
- UIC: 541-3 (কালার-লাইট), 544-1 (ATP)
৯. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত তথ্য
- ভারতে প্রথম বৈদ্যুতিক সিগন্যাল: ১৯২৮ – বোম্বে ভিটি–বান্দ্রা
- দীর্ঘতম অটোমেটিক ব্লক সেকশন: ১৭ কিমি – ঝাঁসি–বাবিনা (ইউপি)
- প্রথম ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং চালু: ১৯৯৭ – বিরার (ডব্লিউআর)
- কাভাচ উন্নয়ন সংস্থা: আইআরএসই/ আরডিএসও / এইচবিএল-আইআর
- ১০০ % EI এর লক্ষ্য: ২০৩০ (ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ভিশন-২০৩০)
আরআরবি সিবিটি-২ / এএলপি / টেকের জন্য ১৫টি এমসিকিউ
| প্রশ্ন. | প্রশ্ন | অপশন | সঠিক |
|---|---|---|---|
| ১ | ভারতীয় রেলওয়েতে ডিসি ট্র্যাক সার্কিটের স্বাভাবিক ভোল্টেজ কত? | ক) ১১০ ভি খ) ৫০ ভি গ) ২৪ ভি ঘ) ১২ ভি | খ |
| ২ | MACLS-এ কোন অ্যাসপেক্ট ট্রেনকে সর্বোচ্চ সেকশনাল গতিতে চালানোর অনুমতি দেয়? | ক) ইয়েলো খ) ডাবল ইয়েলো গ) সবুজ ঘ | গ |
| ৩ | ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং এর জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন SIL স্তর হল | ক) SIL-1 খ) SIL-2 গ) SIL-3 ঘ) SIL-4 | ঘ |
| ৪ | কাভাচ এটিপি সিস্টেম কোন রেডিও ব্যান্ডে কাজ করে? | ক) GSM-R খ) LTE-R গ) Wi-Fi ঘ) TETRA | খ |
| ৫ | ভারতে প্রথম ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং যুক্ত স্টেশন ছিল | ক) দিল্লি খ) বিরার গ) হাওড়া ঘ) চেন্নাই | খ |
| ৬ | নিচের কোনটি ৪-অ্যাসপেক্ট সিগন্যালিং-এ একটি স্ট্যান্ডার্ড রং নয়? | ক) সবুজ খ) ইয়েলো গ) ডাবল ইয়েলো ঘ) নীল | ঘ |
| ৭ | অ্যাবসলিউট ব্লক সিস্টেমে, অগ্রসর হওয়ার কর্তৃত্ব জারি করা হয় | ক) টোকেন খ) পেপার লাইন-ক্লিয়ার গ) উভয়ই ঘ) কোনটিই নয় | গ |
| ৮ | রুট-রিলে ইন্টারলকিং-এ রুট সেট করার সর্বোচ্চ সময় প্রায় | ক) ১ সেকেন্ড খ) ৩-৫ সেকেন্ড গ) ৮ সেকেন্ড ঘ) ১২ সেকেন্ড | খ |
| ৯ | এলইডি সিগন্যাল ক্লাস্টার প্রায় ব্যবহার করে | ক) ৮ ওয়াট খ) ১৫ ওয়াট গ) ২৫ ওয়াট ঘ) ৫০ ওয়াট | গ |
| ১০ | কোন ব্লক সিস্টেম সর্বোচ্চ লাইন ক্যাপাসিটি দেয়? | ক) অ্যাবসলিউট খ) অটোমেটিক গ) CTC ঘ) মুভিং ব্লক (কাভাচ) | ঘ |
| ১১ | ইন্টিগ্রেটেড পাওয়ার সাপ্লাই স্থিতিশীল ডিসি সরবরাহ করে | ক) ১২ ভি খ) ২৪ ভি গ) ৬০ ভি ঘ) ১১০ ভি | ঘ |
| ১২ | অ্যাক্সেল কাউন্টার রিসেট সময় সাধারণত | ক) ০.৫ সেকেন্ড খ) ২ সেকেন্ড গ) ৫ সেকেন্ড ঘ) ১০ সেকেন্ড | খ |
| ১৩ | কোন আরডিএসও স্পেসিফিকেশন কাভাচের সাথে সম্পর্কিত? | ক) IRS:S-23 খ) IRS:S-35 গ) IRS:S-99 ঘ) IRS:S-45 | গ |
| ১৪ | ট্র্যাকের পাশে স্থাপিত অপটিক-ফাইবার ব্যাকবোন ন্যূনতম কোর সহ | ক) ২৪ খ) ৪৮ গ) ৬৪ ঘ) ৯৬ | গ |
| ১৫ | ২০২৪ অনুযায়ী, আনুমানিক কত % স্টেশন ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং দ্বারা আচ্ছাদিত? | ক) ১০ % খ) ২০ % গ) ৩০ % ঘ) ৪০ % | খ |
প্রশ্ন:০১ [একটি ডাটা-লগার প্রিন্ট-আউটে, কোড “DSP” নিচের কোন অবস্থাটি নির্দেশ করে?]
ক) ড্রপ ইন সিগন্যাল পাওয়ার – সাধারণত একটি এলইডি ফিউজ উড়ে যাওয়া বা ১১০ ভি ফিড ব্যর্থতার কারণে
খ) ডাবল সিগন্যাল প্রোটেকশন – যখন দুটি সিগন্যাল একই সেকশন রক্ষা করে
গ) ডাইরেক্ট সাপ্লাই প্যানেল – রিলে রুমে পাওয়ার সাপ্লাই নির্দেশ করে
ঘ) ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসর – মাইক্রোপ্রসেসর কার্ডে ত্রুটি
Show Answer
সঠিক উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: রেলওয়ে ডাটা-লগার পরিভাষায়, “DSP” “ড্রপ ইন সিগন্যাল পাওয়ার” এর জন্য দাঁড়ায়, যা সাধারণত একটি উড়ে যাওয়া এলইডি সিগন্যাল ফিউজ বা সিগন্যাল বাতিতে ১১০ ভি সরবরাহের ব্যর্থতার কারণে ঘটে।
রিভাইজ করুন → রিহার্স করুন → আরআরবি ক্র্যাক করুন!