সাধারণ সচেতনতা ভূগোলের তথ্য

দ্রুত সংশোধন শীট: ভূগোল RRB ২০২৪-এর জন্য

(শেষ দিনের, এক-পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ)


১. ভারত – ভৌত তথ্য (আবশ্য মুখস্ত করতে হবে)
তথ্য সংখ্যা মনে রাখার কৌশল
অক্ষাংশ বিস্তার ৮°৪’ উত্তর – ৩৭°৬’ উত্তর “৮-থেকে-৩৭, ভারত স্বর্গ”
দ্রাঘিমাংশ বিস্তার ৬৮°৭’ পূর্ব – ৯৭°২৫’ পূর্ব “৬৮-থেকে-৯৭, ফোন কোড মনে থাকে”
মোট স্থল সীমান্ত ১৫,২০০ কিমি “১৫-২০ পার্টি”
উপকূলরেখা (মূল ভূখণ্ড) ৬,১০০ কিমি “৬১-ডায়াল উপকূল”
সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা (৮,৫৮৬ মি) “৮-৫-৮৬, সিকিমের ফিক্স”
দীর্ঘতম নদী গঙ্গা (২,৫২৫ কিমি) “জি-২৫, রূপালি ট্রেন”
বৃহত্তম হ্রদ (মিঠা পানি) উলার হ্রদ (জম্মু ও কাশ্মীর) “উলার → ওয়াটার”
দক্ষিণতম বিন্দু ইন্দিরা পয়েন্ট (গ্রেট নিকোবার) “নিকোবারে ইন্দিরা”

২. রাজ্য ও তাদের সীমান্ত (কৌশল = “বাংলা-৭, এমপি-৫”)
রাজ্য সীমান্ত ভাগ করে এমন রাজ্যের সংখ্যা সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলি (প্রথম অক্ষর)
পশ্চিমবঙ্গ “BOSS NSA” – বিহার, ওডিশা, সিকিম, নাগাল্যান্ড, আসাম
উত্তর প্রদেশ “ইউকে, এইচপি, এইচআর, আরজে, এমপি, সিজি, বি আর, ঝাড়খণ্ড” (বর্ণানুক্রমে)
আসাম “এন-বিএন-এমএন-এনএ-এআর-টিআর-এমআই” (উত্তর-পূর্বের রাজ্য)
মধ্যপ্রদেশ “ইউপি-আরজে-জিজে-এমএইচ-সিজি” (ঘড়ির কাঁটার দিকে)

শর্টকাট:
ইউপি-৮, বাংলা-৭, আসাম-৭, এমপি-৫ → ৮-৭-৭-৫ (বছর ‘৭৫-এর জরুরি অবস্থা – সহজে মনে রাখা যায়)।

৩. ভারতের মাটি – ৬০ সেকেন্ডের টেবিল
মাটি রঙ সমৃদ্ধ ফসল রাজ্য
পলল হালকা পটাশ ও চুন ধান, গম, আখ পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, বিহার
কালো (রেগুর) কালো লোহা, চুন, ম্যাগনেসিয়াম তুলা, আখ মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র
লাল লাল পটাশে দরিদ্র বাজরা, তামাক তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক
ল্যাটারাইট লালচে লোহা ও অ্যালুমিনা চা, কফি কেরালা, কর্ণাটক
মরু শুষ্ক লবণাক্ত বাজরা, যব রাজস্থান

মাটির উর্বরতার ক্রম মনে রাখার সংক্ষিপ্ত কৌশল:
“A-Ba-Re-La-De” → পলল > কালো > লাল > ল্যাটারাইট > মরু।


৪. জলবায়ু ও বর্ষা – ৪টি জাদুকরী সংখ্যা
ঘটনা সাধারণ তারিখ পরীক্ষার প্রিয়
কেরালায় বর্ষার শুরু ১ জুন “১-৬, স্কুল খোলে”
দিল্লিতে বর্ষার শুরু ২৯ জুন “২৯-৬, দিল্লি ঠিক”
উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে প্রত্যাহার ১৫ সেপ্টেম্বর “১৫-৯, বৃষ্টি উড়ে”
তামিলনাড়ুতে বৃষ্টি অক্টোবর–ডিসেম্বর (উত্তর-পূর্ব বর্ষা) “TN-১০-১২”

বৃষ্টিপাতের সূত্র (আনুমানিক):
পশ্চিম ঘাট > ২০০ সেমি;
গঙ্গা সমভূমি ১০০-২০০ সেমি;
উত্তর-পশ্চিম ভারত < ৬০ সেমি (মরুভূমি)।


৫. রেলওয়ে ও ভূগোলের সংযোগ (RRB বিশেষ)
  • দীর্ঘতম রেলওয়ে জোন: উত্তর রেলওয়ে (১০,৯৯৫ কিমি)
  • উচ্চতম রেলওয়ে স্টেশন: ঘুম (পশ্চিমবঙ্গ) ২,২৫৮ মি (দার্জিলিং হিমালয়ান)
  • দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম: হুবলি (কর্ণাটক) – ১,৫০৭ মি
  • রেলওয়ে-সময় রেখাংশ: ৮২°৩০’ পূর্ব (মির্জাপুর, উত্তরপ্রদেশ) → IST +৫:৩০ ঘণ্টা
  • ক্যান্সার রেখা অতিক্রম করে: ৮টি রাজ্য → “G-MAP-Raj-Mi-WB-Jh-OD”
    (গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, মিজোরাম)
৬. র‍্যাপিড-ফায়ার প্রশ্নোত্তর (পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র)
প্র১. কোন রাজ্যের মূলভূখণ্ডের উপকূলরেখা সবচেয়ে দীর্ঘ?গুজরাট
প্র২. ভারতের মানক মধ্যাহ্নরেখা কোন শহরের মধ্য দিয়ে যায়?মির্জাপুর (উত্তর প্রদেশ)
প্র৩. ল্যাটারাইট মাটি মূলত কোন প্লাটিউ অঞ্চলে পাওয়া যায়?ডেকান প্লাটিউ (কর্ণাটক-কেরালা)
প্র৪. কোন নদী বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ গঠন করে?গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপ
প্র৫. ভারত কোন দেশের সঙ্গে সবচেয়ে ছোট স্থলসীমানা ভাগ করে?আফগানিস্তান (১০৬ কিমি, পোক সীমান্ত)

৭. এক-মিনিটের ম্যাপ ট্রিক
  • হিমালয় পশ্চিম→পূর্ব: “ক-ক-এস-ক-ক” (কারাকোরাম, লাদাখ, জাস্কার, গ্রেট, খাসিয়া)
  • ঘাট পশ্চিম→পূর্ব প্রান্ত: “এন-টি-পি-কে-ক” (নীলগিরি, তামিল, পালনি, কার্ডামম, আনামালাই)
  • আরব সাগরে পড়ে এমন নদী (বা→ডা): “এন-টি-এম” (নর্মদা, তাপ্তি, মাহি) – মাত্র ৩টি প্রধান।

৮. চূড়ান্ত ১০-পয়েন্ট চেকলিস্ট

১. ৮২°৩০’ পূর্ব = IST = মির্জাপুর
২. ২৩½° উত্তর = কর্কট রেখা (৮টি রাজ্য)
৩. ৩৭° উত্তর = উত্তরতম; ৮° উত্তর = দক্ষিণতম
৪. ১,৩১৯ কিমি = ভারত-পাক সীমান্ত দৈর্ঘ্য
৫. ১,৬৪০ কিমি = ভারত-চীন সীমান্ত দৈর্ঘ্য
৬. ১,৫৭৬ কিমি = ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (দীর্ঘতম)
৭. ৩৩১ কিমি = ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত
৮. ১৭৫২ কিমি = ভারত-নেপাল সীমান্ত
৯. ৬৯৯ কিমি = ভারত-ভুটান সীমান্ত
১০. ১০৬ কিমি = ভারত-আফগানিস্তান সীমান্ত

সীমান্ত দৈর্ঘ্যের মনে রাখার কৌশল (অবতল ক্রমে):
“Bang-Bhutan-China-Nepal-Pak-Myanmar-Afghan” → ১৫৭৬-৬৯৯-১৩৪০-১৭৫২-১৩১৯-১৬৪৩-১০৬ (আনুমানিক)


এই শিটটি দু’বার সংশোধন করো, ভালো করে ঘুমাও—RRB-তে ভূগোলের ১০-১২টি নিশ্চিত নম্বর তুলে আনো!