ট্রেন অপারেশন
ট্রেন অপারেশন – রেলওয়ে জিকে সংকলন
১. সংজ্ঞা ও পরিধি
ট্রেন অপারেশন বলতে একটি রেককে উৎপত্তিস্থল থেকে গন্তব্যে নিরাপদে, সময়ানুবর্তিতার সাথে এবং সাশ্রয়ীভাবে স্থানান্তর করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের সম্পূর্ণ পরিসরকে বোঝায়।
প্রধান উপ-ব্যবস্থা:
- চালনা ও মার্শালিং
- সিগন্যালিং ও নিয়ন্ত্রণ
- ট্র্যাকশন ও শক্তি
- রোলিং-স্টক ও ব্রেক ব্যবস্থা
- ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও ক্রু ব্যবস্থাপনা
- ইয়ার্ড ও সাইডিং
- দুর্যোগ ও জরুরি অবস্থা মোকাবেলা
২. প্রযুক্তিগত মৌলিক বিষয়
| প্যারামিটার | প্রচলিত | রাজধানী/শতাব্দী | বন্দে ভারত / গতিমান |
|---|---|---|---|
| সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতি | ১১০ কিমি/ঘণ্টা | ১৩০–১৬০ কিমি/ঘণ্টা | ১৬০–১৮০ কিমি/ঘণ্টা (ট্রায়াল ২০০ কিমি/ঘণ্টা) |
| গড় সেকশনাল গতি (মাল) | ২৫–৩০ কিমি/ঘণ্টা | – | – |
| ব্লক সেকশন দৈর্ঘ্য (ABS) | ৪–৮ কিমি | ৪–৬ কিমি | ৩–৫ কিমি |
| গ্রেডিয়েন্ট (BG) | ১:১০০ (সাধারণ), ১:৪০ (ঘাট) | – | – |
| বক্রতার ন্যূনতম ব্যাসার্ধ (BG) | ১৭৫ মি | ৪০০ মি (১৬০ কিমি/ঘণ্টার জন্য) | ১,০০০ মি (পছন্দসই) |
| কাপলার প্রকার | স্ক্রু / CBC | CBC | CBC with slack-less draw-bar |
| ব্রেক ব্যবস্থা | ভ্যাকুয়াম/গ্র্যাজুয়েটেড রিলিজ এয়ার ব্রেক | টুইন-পাইপ এয়ার ব্রেক | EP+ECO ডিস্ক ব্রেক |
- ব্রেক শতাংশ: মালবাহী ৮০% (খালি), ৫০% (বোঝাই); ডাক/এক্সপ্রেস ১০০%।
- ব্রেক পাওয়ার সার্টিফিকেট (BPC) বৈধতা: যাত্রীবাহী ২৪ ঘণ্টা, মালবাহী ৫৫০০ কিমি।
- স্বয়ংক্রিয় ব্লকে সর্বনিম্ন হেডওয়ে: ৪ মিনিট (১৩০ কিমি/ঘণ্টা), ৩ মিনিট (১৬০ কিমি/ঘণ্টা)।
- স্ট্যান্ডার্ড সিগন্যাল ওভারল্যাপ: ১৮০ মি (BG), ১২০ মি (MG)।
৩. ঐতিহাসিক মাইলফলক
| বছর | ঘটনা |
|---|---|
| ১৮৫৩ | প্রথম ট্রেন বোম্বাই–থানে (৩৩ কিমি, লর্ড ফকল্যান্ড দ্বারা চালিত) |
| ১৮৭৯ | ভারতে স্বয়ংক্রিয় এয়ার-ব্রেক পেটেন্ট (ওয়েস্টিংহাউস) |
| ১৯২৫ | প্রথম ১৫০০ V DC শহরতলি বিভাগ – বোম্বাই |
| ১৯৫৭ | ২৫ kV AC ট্র্যাকশন গ্রহণ (SNCF ডিজাইন) |
| ১৯৮৭ | WAP-1 লোকো দিয়ে প্রথম ১৪০ কিমি/ঘণ্টা চলাচল |
| ১৯৮৮ | প্রথম শতাব্দী (NDLS–BPL) – সর্বোচ্চ ১৪০ কিমি/ঘণ্টা |
| ২০০২ | সর্বভারতীয় ভ্যাকুয়াম ব্রেক উৎপাদন বন্ধ |
| ২০১৮ | ট্রেন-১৮ (বন্দে ভারত) রোল আউট – ১৮০ কিমি/ঘণ্টা ট্রায়াল |
| ২০২২ | কাভাচ (স্বদেশী ATP) ১৬০ কিমি/ঘণ্টার জন্য সার্টিফাইড |
| ২০২৩ | গতি-শক্তি মালবাহী করিডোর সেকশন চালু – ১০০ কিমি/ঘণ্টা পাথ |
৪. বর্তমান অবস্থা ও সাম্প্রতিক আপডেট (২০২৩-২৪)
- কাভাচ: ৩,০০০ কিমি রুট আওতাভুক্ত; লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৪,০০০ কিমি।
- স্বয়ংক্রিয় ট্রেন অপারেশন (ATO): দিল্লি-আগ্রা সেকশনে ট্রায়াল চলছে।
- পুশ-পুল কনফিগারেশন: টার্নআরাউন্ড সময় বাঁচাতে ১৮০ ট্রেন অনুমোদিত।
- এন্ড-অফ-ট্রেন টেলিমেট্রি (EOTT): ১০,০০০ মালবাহী ওয়াগন ফিট করা হয়েছে; গার্ড ব্রেক ভ্যানের প্রয়োজন দূর করে।
- দীর্ঘ-দূরত্বের মালবাহী ট্রেন (২×২.৭ কিমি): “অ্যানাকোন্ডা” ট্রেন EDFC-তে চলাচল করে।
- রিয়েল-টাইম ট্রেন তথ্য: ন্যাশনাল ট্রেন এনকোয়ারি সিস্টেম (NTES) ৩০-সেকেন্ড রিফ্রেশে আপগ্রেড করা হয়েছে।
- ডিজিটাল OHE: ২৫০ কিমি/ঘণ্টার (ভবিষ্যত বুলেট) জন্য ৩-স্তর OHE ডিজাইন গৃহীত।
- সৌর প্যানেলযুক্ত রেক: প্রতি কোচে ১.৫ কিলোওয়াট – বছরে ০.৬ লক্ষ লিটার ডিজেল সাশ্রয় করে।
- ওয়েটোমিটার ও আইটি-সক্ষম ওজন সেতু: ২০২৫ সালের মধ্যে ১০০% কভারেজ।
- **রেলওয়ে বোর্ড ৮টি সার্ভিসকে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস (IRMS)-এ একীভূত করেছে ক্যাডার পুনর্গঠনের অধীনে।
৫. কার্যক্রমগত পরিভাষা (অবশ্যই মনে রাখতে হবে)
- বুক স্পিড: ওয়ার্কিং টাইম টেবিল (WTT)-তে মুদ্রিত অনুমোদিত সেকশনাল গতি।
- সিগন্যাল পাসড অ্যাট ডেঞ্জার (SPAD): ক্যাটাগরি-এ (স্টপ সিগন্যাল) ও বি (সতর্কতা) – যথাক্রমে ৩ ও ১ দিনের সাসপেনশন।
- রেলওয়ে ওয়ার্কিং রুলস: GR (সাধারণ), SR (উপ), SS (বিশেষ), WR (কাজ)।
- স্টেশন সেকশন: ব্লক সেকশন, রিসেপশন লাইন, রানিং লাইন, থ্রু লাইন, সিক লাইন।
- ট্রেন শ্রেণীবিভাগ: ০-৪ ডাক/এক্সপ্রেস, ৫-৭ প্যাসেঞ্জার, ৮-৯ গুডস; ১৪-১৯ EMU/DMU।
- লোড শ্রেণীবিভাগ: যাত্রীবাহীর জন্য CC+6 (পূর্ণ), CC+8 (গ্রীষ্ম), CC-2 (শীত)।
- পেনাল্টি ব্রেক অ্যাপ্লিকেশন: ৩ সেকেন্ডের মধ্যে ০.৮ বার BP ড্রপ জরুরি অবস্থা ট্রিগার করে।
- কলিং-অন সিগন্যাল: লাইন দখলকৃত থাকলে ১৫ কিমি/ঘণ্টা গতিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়।
- শান্টিং লিমিট বোর্ড: “SL” সহ হলুদ ডিস্ক – ফাউলিং মার্ক থেকে ৩০ মি দূরে।
- ইঞ্জিন অন লোড (EOL): বুকড লোডের >৯০% – শক্তি দক্ষতার জন্য আদর্শ।
৬. মালবাহী বনাম যাত্রীবাহী অপারেশন – দ্রুত তথ্য
| মেট্রিক | মালবাহী | যাত্রীবাহী |
|---|---|---|
| NTKM-এ অংশীদারিত্ব | ৭০% | – |
| ট্রেন কিমি-এ অংশীদারিত্ব | ৩৬% | ৬৪% |
| গড় গতি | ২৪ কিমি/ঘণ্টা (২০২২) | ৫০ কিমি/ঘণ্টা |
| ওয়াগন টার্নআরাউন্ড | ৫.২ দিন | – |
| দীর্ঘতম রান (মালবাহী) | ১,৮৬০ কিমি (ভিজাগ থেকে জম্মু) | – |
| দীর্ঘতম যাত্রীবাহী | ৪,২১৮ কিমি (বিবেক এক্সপ্রেস) | – |
| ক্রু ডিউটি ঘণ্টা | ১২ ঘণ্টা (মাল), ১০ ঘণ্টা (যাত্রী) | ১০ ঘণ্টা |
| বিশ্রাম নিয়ম (HOER) | ১৬ ঘণ্টা (মাল), ১২ ঘণ্টা (যাত্রী) | ১২ ঘণ্টা |
৭. নিরাপত্তা পরিসংখ্যান ২০২২-২৩
- গুরুতর ট্রেন দুর্ঘটনা: ২২ (সর্বনিম্ন)।
- ডিরেলমেন্ট: ১১ (মোটের ৫০%)।
- সংঘর্ষ: ৩।
- অগ্নিকাণ্ড: ১।
- ম্যানড লেভেল ক্রসিং দুর্ঘটনা: ০ (২০২০ সালের বন্ধ অভিযানের পর)।
- আনম্যানড লেভেল ক্রসিং দুর্ঘটনা: ০ (২০২২ সালে পর্যায়ক্রমে বন্ধ সম্পন্ন)।
- ট্রেন পার্টিং ঘটনা: ১৮ (মালবাহী)।
- SPAD কেস: ৫১ (গত বছরের ৭৬-এর বিপরীতে)।
৮. ক্রু ও নিয়ন্ত্রণ সংগঠন
- রানিং স্টাফ ক্যাটাগরি: লোকো পাইলট (ডাক/মাল), সহকারী লোকো পাইলট, গার্ড (মাল/যাত্রী), শান্টার।
- ফুটপ্লেট ঘণ্টা: সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা অবিচ্ছিন্ন, ৪ দিনে ৩৬ ঘণ্টা, ১৪ দিনে ১৩২ ঘণ্টা।
- LP লাইসেন্স ক্যাটাগরি: A-1 (ডাক), A-2 (যাত্রী), B (মাল), C (শান্ট)।
- নিয়ন্ত্রণ অফিস: ৬৯টি বিভাগীয়, ১৬টি আঞ্চলিক, ১টি জাতীয় (CRIS)।
- ট্রেন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (TMS): GPS ফিড প্রতি ৩০ সেকেন্ডে আপডেট হয়।
- ক্রু লবি: চিকিৎসা ও ব্রেথালাইজারের জন্য প্রস্থানের ১ ঘণ্টা আগে রিপোর্ট করতে হবে।
৯. শক্তি ও ট্র্যাকশন হাইলাইটস
- সর্বভারতীয় বিদ্যুতায়ন: ৮৬% RKm (মার্চ-২৪)।
- হেড-অন-জেনারেশন (HOG): প্রতি ট্রেনে বছরে ৩.৫ লক্ষ লিটার ডিজেল সাশ্রয় করে।
- রিজেনারেটিভ ব্রেকিং: ৩-ফেজ লোকোতে ৩৫% শক্তি ফিডব্যাক।
- শক্তি খরচ: ৪৬ kWh/০০০ GTKM (মাল), ১৮ kWh/০০০ PKM (যাত্রী)।
- সর্বোচ্চ OHE: ১০.৫ মি (WDFC-তে ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার)।
- OHE ভোল্টেজ: ২৫ kV ±১০%, ৫০ Hz, ৩০০ A ক্যাটেনারি রেটিং।
১০. ১৫+ এমসিকিউ দ্রুত অনুশীলনের জন্য
প্রশ্ন:০১ বিদ্যমান ট্র্যাকের উপর ক্যাব সিগন্যালিং ছাড়া রাজধানী এক্সপ্রেসের সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতি কত?
A) ১১০ কিমি/ঘণ্টা
B) ১২০ কিমি/ঘণ্টা
C) ১৩০ কিমি/ঘণ্টা
D) ১৪০ কিমি/ঘণ্টা
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: ক্যাব সিগন্যালিং ছাড়া বিদ্যমান ট্র্যাকের উপর রাজধানী এক্সপ্রেস ১৩০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত চলাচলের অনুমতি পায়; ১৬০ কিমি/ঘণ্টা স্পর্শ করতে হলে অবশ্যই ক্যাব সিগন্যালিং এবং কাভাচ দিয়ে সজ্জিত হতে হবে।
প্রশ্ন:০২ বর্তমানে সকল নতুন নির্মিত মালবাহী স্টকের জন্য কোন ব্রেক ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক?
A) ভ্যাকুয়াম ব্রেক (সিঙ্গল পাইপ)
B) এয়ার ব্রেক (সিঙ্গল পাইপ)
C) এয়ার ব্রেক (টুইন পাইপ)
D) ইলেক্ট্রো-নিউম্যাটিক ব্রেক
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: RDSO ও রেলওয়ে বোর্ডের ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি নতুন মালবাহী ওয়াগন অবশ্যই টুইন পাইপ (মেইন রিজার্ভয়ার পাইপ + ব্রেক পাইপ) ব্যবহার করে ফেইল-সেফ, উচ্চ-ক্ষমতার এয়ার ব্রেক ব্যবস্থা দিয়ে সজ্জিত হতে হবে যাতে দীর্ঘ মালবাহী রেক জুড়ে অভিন্ন ও দ্রুত ব্রেক রেসপন্স নিশ্চিত হয়।
প্রশ্ন:০৩ একটি গুডস ট্রেনের জন্য ব্রেক পাওয়ার সার্টিফিকেট (BPC)-এর বৈধতা
A) ৬,০০০ কিমি বা ৪৫ দিন, যেটি আগে আসে
B) ৫,৫০০ কিমি বা ১ মাস, যেটি আগে আসে
C) ৫,০০০ কিমি বা ৩০ ট্রিপ, যেটি আগে আসে
D) ৬,৫০০ কিমি বা ২ মাস, যেটি আগে আসে
Show Answer
সঠিক উত্তর: B
ব্যাখ্যা: রেলওয়ে বোর্ড নির্দেশিকা অনুযায়ী, একটি গুডস ট্রেনের BPC ৫,৫০০ কিমি বা ১ মাসের জন্য বৈধ থাকে, যেটি আগে পৌঁছায়।
প্রশ্ন:০৪ ব্রড-গেজ (BG) ট্র্যাকের উপর ১৬০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে ট্রেন নিরাপদে চালানোর জন্য ইন্ডিয়ান রেলওয়ের সুপারিশকৃত ন্যূনতম বক্রতা ব্যাসার্ধ কত?
A) ২৫০ মি
B) ৩৫০ মি
C) ৪০০ মি
D) ৫০০ মি
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: ইন্ডিয়ান রেলওয়ের ২০২৬ ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী, BG ট্র্যাকের জন্য ন্যূনতম ৪০০ মি বক্রতা ব্যাসার্ধ নির্ধারিত হয়েছে যাতে ১৬০ কিমি/ঘণ্টা সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতিতে ট্রেনের নিরাপদ ও স্থিতিশীল চলাচল নিশ্চিত হয়।
প্রশ্ন:০৫ নিচের কোনটি রানিং স্টাফের একটি ক্যাটাগরি নয়?
A) লোকো পাইলট
B) গার্ড
C) কন্ট্রোলার
D) ট্রেন ম্যানেজার
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: কন্ট্রোলার একটি তত্ত্বাবধায়ক ক্যাডার, রানিং স্টাফ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ নয়।
প্রশ্ন:০৬ [ইন্ডিয়ান রেলওয়েতে প্রথম ২৫ kV AC ট্র্যাকশন সেকশন ছিল]
A) হাওড়া–বর্ধমান (ER) ১৯৫৮
B) রাজ খরসোয়ান–ডোঙ্গোপোসি (SER) ১৯৬০
C) বিজয়ওয়াড়া–গুডুর (SCR) ১৯৬১
D] ইগাতপুরী–ভুসাওয়াল (CR) ১৯৫৯
Show Answer
সঠিক উত্তর: B
ব্যাখ্যা: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ১৯৬০ সালে সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ের রাজ খরসোয়ান–ডোঙ্গোপোসি সেকশনে ২৫ kV AC ট্র্যাকশন চালু করে, যা দেশের প্রথম AC বিদ্যুতায়িত রুট করে তোলে।
প্রশ্ন:০৭ রেলওয়ে ওয়ার্কিং-এ “SPAD” শব্দটি বোঝায়
A) সিগন্যাল পাসড অ্যাট ডেঞ্জার
B) স্পিড পারমিট আফটার ডিটেকশন
C) সেফটি প্রোটোকল অ্যাগেইনস্ট ডিরেলমেন্ট
D) স্টেশন প্ল্যাটফর্ম অ্যারাইভাল ডিলে
Show Answer
সঠিক উত্তর: A
ব্যাখ্যা: SPAD মানে “সিগন্যাল পাসড অ্যাট ডেঞ্জার,” যা একটি ঘটনা নির্দেশ করে যেখানে একটি ট্রেন কর্তৃপক্ষ ছাড়াই একটি স্টপ সিগন্যাল অতিক্রম করে, রেলওয়ে অপারেশনে একটি গুরুতর নিরাপত্তা উদ্বেগ।
প্রশ্ন:০৮ ২০২২-২৩ সালে ইন্ডিয়ান রেলওয়েতে কতটি ডিরেলমেন্ট রিপোর্ট করা হয়েছিল?
A) ৯
B) ১০
C) ১১
D) ১২
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: ইন্ডিয়ান রেলওয়ের অফিসিয়াল নিরাপত্তা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে ১১টি ডিরেলমেন্ট ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছিল।
প্রশ্ন:০৯ [ইন্ডিয়ান রেলওয়ে দ্বারা চালিত নিচের কোনটি দূরত্বের দিক থেকে দীর্ঘতম যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা?]
A) কেরল এক্সপ্রেস (তিরুবনন্তপুরম–নতুন দিল্লি)
B) বিবেক এক্সপ্রেস (ডিব্রুগড়–কন্যাকুমারী)
C) হিমসাগর এক্সপ্রেস (কন্যাকুমারী–শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা)
D) গুয়াহাটি–তিরুবনন্তপুরম এক্সপ্রেস
Show Answer
সঠিক উত্তর: B
ব্যাখ্যা: ডিব্রুগড়–কন্যাকুমারী বিবেক এক্সপ্রেস ৪,২১৮ কিমি অতিক্রম করে, যা এটিকে ইন্ডিয়ান রেলওয়ের দীর্ঘতম যাত্রীবাহী ট্রেন রুট করে তোলে।
প্রশ্ন:১০ এন্ড-অফ-ট্রেন টেলিমেট্রি (EOTT) কোন রোলিং স্টক উপাদান প্রতিস্থাপন করে?
A) লোকোমোটিভ হেডলাইট
B) ব্রেক ভ্যান ও গার্ড
C) আন্ডার-ফ্রেম ব্যাটারি বক্স
D) ভ্যাকুয়াম এক্সহস্টার
Show Answer
সঠিক উত্তর: B
ব্যাখ্যা: EOTT হল একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা শেষ বাহনে মাউন্ট করা হয় এবং ব্রেক-পাইপ চাপ ও ট্রেন অখণ্ডতা পর্যবেক্ষণ করে, একটি শারীরিক ব্রেক ভ্যান এবং ঐতিহ্যগতভাবে তাতে ভ্রমণকারী গার্ডের প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
প্রশ্ন:১১ ব্রড গেজ (BG)-এ একটি স্টপ সিগন্যালের পর স্ট্যান্ডার্ড ওভারল্যাপ দূরত্ব কত?
A) ১২০ মি
B) ১৪০ মি
C) ১৬০ মি
D) ১৮০ মি
Show Answer
সঠিক উত্তর: D
ব্যাখ্যা: ইন্ডিয়ান রেলওয়ের সিগন্যালিং নিয়ম অনুযায়ী, BG-এ একটি স্টপ সিগন্যালের পর নিরাপদ ব্রেকিং দূরত্ব নিশ্চিত করতে ১৮০ মিটার স্ট্যান্ডার্ড ওভারল্যাপ দূরত্ব রাখা হয়।
প্রশ্ন:১২ ইন্ডিয়ান রেলওয়েতে ১৬০ কিমি/ঘণ্টা অপারেশনের জন্য কোন লোকোমোটিভ ক্লাস অনুমোদিত?
A) WAP-4, WAP-6 & WAG-7
B) WAP-5, WAP-7 & WAG-9H (মডিফাইড গিয়ার সহ)
C) WDM-3A, WDP-4 & WDG-4
D) WAP-1, WAG-5 & WAG-9
Show Answer
সঠিক উত্তর: B
ব্যাখ্যা: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে WAP-5, WAP-7 এবং মালবাহী-উদ্ভূত WAG-9H-কে (উচ্চ-গতির গিয়ার রেশিও ফিট করার পর) ১৬০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলাচলের জন্য ক্লিয়ার করেছে, যা তাদের বর্তমান ১৬০ কিমি/ঘণ্টা-সার্টিফাইড ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ ফ্লিট করে তোলে।
প্রশ্ন:১৩ একটি ৩-ফেজ ইলেকট্রিক লোকোমোটিভে রিজেনারেটিভ ব্রেকিং দ্বারা গ্রিডে ফেরত পাঠানো শক্তি আনুমানিক
A) ১৫%
B) ২৫%
C) ৩৫%
D) ৪৫%
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সহ আধুনিক ৩-ফেজ ইলেকট্রিক লোকোমোটিভগুলি ট্র্যাকশন শক্তির প্রায় ৩৫% ওভারহেড সাপ্লাইতে ফেরত দিতে পারে, সামগ্রিক শক্তি দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে।
প্রশ্ন:১৪ [HOER-এর অধীনে গুডস রানিং স্টাফের জন্য ন্যূনতম অবিচ্ছিন্ন বিশ্রাম হল]
A) ১২ ঘণ্টা
B) ১৪ ঘণ্টা
C) ১৬ ঘণ্টা
D) ১৮ ঘণ্টা
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: আওয়ারস অফ এমপ্লয়মেন্ট রেগুলেশনস (HOER) ২০২৬ অনুযায়ী, পরবর্তী ডিউটির আগে পর্যাপ্ত পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে গুডস রানিং স্টাফকে ন্যূনতম ১৬ ঘণ্টা অবিচ্ছিন্ন বিশ্রাম দিতে হবে।
প্রশ্ন:১৫ সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন-১৮ (বন্দে ভারত)-এর প্রথম ট্রায়াল রান কোন স্টেশনগুলির মধ্যে পরিচালিত হয়েছিল?
A) নতুন দিল্লি–মুম্বাই সেন্ট্রাল
B) নতুন দিল্লি–আগ্রা ক্যান্ট.
C) নতুন দিল্লি–চেন্নাই সেন্ট্রাল
D) নতুন দিল্লি–হাওড়া
Show Answer
সঠিক উত্তর: B
ব্যাখ্যা: ট্রেন-১৮ (বন্দে ভারত)-এর উদ্বোধনী ট্রায়াল নতুন দিল্লি–আগ্রা ক্যান্ট. সেকশনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রশ্ন:১৬ ৩১ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত, ইন্ডিয়ান রেলওয়ের মোট রুট কিলোমিটারের আনুমানিক কত শতাংশ বিদ্যুতায়িত হয়েছে
A) ৭৬%
B) ৮১%
C) ৮৬%
D) ৯১%
Show Answer
সঠিক উত্তর: C
ব্যাখ্যা: ৩১ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত, মন্ত্রকের মিশন ১০০% বিদ্যুতায়ন অভিযানের অধীনে ইন্ডিয়ান রেলওয়ের মোট রুট কিলোমিটারের প্রায় ৮৬% বিদ্যুতায়িত হয়েছে।
প্রশ্ন:১৭ গতি-শক্তি পরিকল্পনার অধীনে ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের কোন সেকশনটি প্রথম চালু হয়েছিল?
A) নতুন রেওয়ারি–নতুন মাদার
B) নতুন খুরজা–নতুন দাদরি
C) নতুন পালনপুর–নতুন সামাখিয়ালি
D) নতুন ফুলেরা–নতুন মারওয়ার
Show Answer
সঠিক উত্তর: A
ব্যাখ্যা: ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর (WDFC)-এর ৩০৬-কিমি নতুন রেওয়ারি–নতুন মাদার স্ট্রেচটি প্রথম কমিশন করা হয়েছিল, যা এটিকে গতি-শক্তি উদ্যোগের অধীনে উদ্বোধনী অপারেশনাল সেকশন করে তোলে।
অধ্যায়ের সমাপ্তি – সকল RRB পরীক্ষার জন্য আপনার রেলওয়ে জিকে শক্তিশালী করতে এমসিকিউগুলি পুনরায় পড়ুন ও অনুশীলন করুন!