রেলওয়ে অর্জন ও রেকর্ড
রেলওয়ে অর্জন ও রেকর্ড
আরআরবি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভারতীয় রেলের অর্জন ও রেকর্ডে দক্ষতা অর্জন করুন, মাইলফলক, রেকর্ড এবং সম্মাননার ব্যাপক কভারেজের মাধ্যমে।
ঐতিহাসিক মাইলফলক
প্রাথমিক অর্জন
সূচনা ও প্রাথমিক উন্নয়ন
- প্রথম রেলপথ: ১৮৫৩, মুম্বাই থেকে থানে (৩৪ কিমি)
- প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন: ১৬ এপ্রিল, ১৮৫৩
- প্রথম রেলওয়ে সেতু: ১৮৫৪, গঙ্গা নদীর উপর
- প্রথম টানেল: ১৮৬৯, ভোর ঘাট
- প্রথম রেলওয়ে কারখানা: ১৮৬২, জামালপুর
ঔপনিবেশিক যুগের অর্জন
- রেল নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি: ১৯২৯ সালের মধ্যে ১,৪৯,০০০ কিমি
- পার্বত্য রেলপথ: ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
- দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে: ১৮৮১
- নীলগিরি পার্বত্য রেলওয়ে: ১৯০৮
- কালকা-শিমলা রেলওয়ে: ১৯০৩
- রাজকীয় ট্রেন: রাজপরিবারের জন্য বিশেষ ট্রেন
- যুদ্ধকালীন প্রচেষ্টা: বিশ্বযুদ্ধের সময় পরিবহন
স্বাধীনতা-পরবর্তী উন্নয়ন
জাতীয় অর্জন
- জাতীয়করণ: ১৯৫১, ভারতীয় রেল গঠন
- অঞ্চল সৃষ্টি: প্রথম অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত ১৯৫২ সালে
- বাষ্প লোকোমোটিভ উৎপাদন: চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কস (১৯৫০)
- কোচ উৎপাদন: ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (১৯৫৫)
- ডিজেল লোকোমোটিভ: প্রথম ডিজেল লোকোমোটিভ (১৯৫৭)
আধুনিকীকরণের মাইলফলক
- প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন: ১৯২৫, মুম্বাই থেকে পুনে
- সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন: প্রধান রুটগুলির বিদ্যুতায়ন
- কম্পিউটারাইজেশন: রিজার্ভেশন সিস্টেমের কম্পিউটারাইজেশন
- গেজ রূপান্তর: প্রজেক্ট ইউনিগেজ উদ্যোগ
- উচ্চ-গতির ট্রেন: উচ্চ-গতির পরিষেবার সূচনা
কার্যক্রমগত রেকর্ড
গতির রেকর্ড
দ্রুততম ট্রেন
-
বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: ১৮০ কিমি/ঘণ্টা কার্যকরী গতি
- প্রথম চলাচল: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
- রুট: নয়াদিল্লি থেকে বারাণসী
- প্রযুক্তি: স্বদেশী নকশা ও উৎপাদন
- বৈশিষ্ট্য: আধা-উচ্চ গতি, সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত
-
গতিমান এক্সপ্রেস: ১৬০ কিমি/ঘণ্টা
- রুট: দিল্লি থেকে আগ্রা
- দূরত্ব: ১৮৮ কিমি
- যাত্রার সময়: ১০০ মিনিট
- গতি: ভারতের দ্রুততম ট্রেন
গতি উন্নতি
- সর্বোচ্চ গতি: ১৮০ কিমি/ঘণ্টা (কার্যকরী), ২০০ কিমি/ঘণ্টা (পরীক্ষামূলক)
- গড় গতি: মেইল/এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্য ৫০-৬০ কিমি/ঘণ্টা
- মালবাহী গতি: কন্টেইনার ট্রেনের জন্য ৭৫ কিমি/ঘণ্টা
- ভবিষ্যত লক্ষ্য: উচ্চ-গতির করিডোরের জন্য ৩০০ কিমি/ঘণ্টা
দূরত্বের রেকর্ড
দীর্ঘতম রুট
-
বিবেক এক্সপ্রেস: দীর্ঘতম চলমান ট্রেন
- রুট: ডিব্রুগড় থেকে কন্যাকুমারী
- দূরত্ব: ৪,১৮৯ কিমি
- যাত্রার সময়: ৮২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
- রাজ্য অতিক্রম: ৮টি রাজ্য
-
হিমসাগর এক্সপ্রেস: দ্বিতীয় দীর্ঘতম
- রুট: জম্মু তাবি থেকে কন্যাকুমারী
- দূরত্ব: ৩,৭৩৫ কিমি
- যাত্রার সময়: ৭১ ঘণ্টা
- সংযোগ: উত্তর-দক্ষিণ সংযোগ
সংক্ষিপ্ততম রুট
- সংক্ষিপ্ততম ট্রেন: নাগপুর থেকে আজনি
- দূরত্ব: ৩ কিমি
- সময়: ৫ মিনিট
- উদ্দেশ্য: শাটল পরিষেবা
- গুরুত্ব: কার্যক্রমগত দক্ষতা
প্ল্যাটফর্ম রেকর্ড
দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম
-
গোরক্ষপুর রেলওয়ে স্টেশন: বিশ্বের দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম
- দৈর্ঘ্য: ১,৩৬৬ মিটার
- ট্র্যাক: একাধিক সমান্তরাল ট্র্যাক
- ধারণক্ষমতা: দীর্ঘ ট্রেন পরিচালনা
- গুরুত্ব: বিশ্ব রেকর্ডধারী
-
কোল্লাম জংশন: ভারতের দ্বিতীয় দীর্ঘতম
- দৈর্ঘ্য: ১,১৮০ মিটার
- অবস্থান: কেরল
- সুবিধা: আধুনিক সুযোগ-সুবিধা
- গুরুত্ব: প্রধান জংশন
সর্বোচ্চ স্টেশন
-
ঘুম রেলওয়ে স্টেশন: সর্বোচ্চ রেলওয়ে স্টেশন
- উচ্চতা: ২,২৫৮ মিটার
- অবস্থান: দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে
- ইউনেস্কো: বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
- পর্যটন: প্রধান পর্যটন আকর্ষণ
-
শিবালিক প্যালেস: সর্বোচ্চ ব্রড গেজ স্টেশন
- উচ্চতা: ২,১০০ মিটার
- অবস্থান: শিমলা, হিমাচল প্রদেশ
- পর্যটন: ঐতিহ্যবাহী খেলনা ট্রেন
- বৈশিষ্ট্য: পার্বত্য রেল অভিজ্ঞতা
অবকাঠামোগত রেকর্ড
সেতু রেকর্ড
সর্বোচ্চ সেতু
-
চেনাব সেতু: বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলওয়ে সেতু
- উচ্চতা: নদীতল থেকে ৩৫৯ মিটার
- অবস্থান: জম্মু ও কাশ্মীর
- ধরন: খিলান সেতু
- অবস্থা: নির্মাণাধীন
-
বগিবিল সেতু: দীর্ঘতম রেল-সহ-সড়ক সেতু
- দৈর্ঘ্য: ৪.৯৪ কিমি
- অবস্থান: আসাম, ব্রহ্মপুত্র নদ
- ধরন: ট্রাস সেতু
- গুরুত্ব: কৌশলগত সংযোগ
দীর্ঘতম সেতু
- দীঘা-সোনেপুর সেতু: ৪.৫৬ কিমি
- অবস্থান: বিহার, গঙ্গা নদী
- ধরন: রেল-সহ-সড়ক সেতু
- সংযোগ: উত্তর-দক্ষিণ সংযোগ
- গুরুত্ব: পরিবহন করিডোর
টানেল রেকর্ড
দীর্ঘতম টানেল
-
পীর পাঞ্জাল টানেল: দীর্ঘতম রেলওয়ে টানেল
- দৈর্ঘ্য: ১১.২ কিমি
- অবস্থান: জম্মু ও কাশ্মীর
- উচ্চতা: উচ্চ উচ্চতার টানেল
- প্রকৌশল: আধুনিক টানেলিং প্রযুক্তি
-
কঙ্কন রেলওয়ে টানেল: একাধিক দীর্ঘ টানেল
- কার্বুড টানেল: ৬.৫ কিমি
- ভাটান টানেল: ৬.৫ কিমি
- চ্যালেঞ্জ: পশ্চিমঘাটের ভূখণ্ড
- অর্জন: প্রকৌশল বিস্ময়
যাত্রী পরিষেবা রেকর্ড
যাত্রী পরিসংখ্যান
দৈনিক কার্যক্রম
- দৈনিক যাত্রী: দৈনিক ২.৩ কোটি যাত্রী
- দৈনিক ট্রেন: ১৩,০০০+ যাত্রীবাহী ট্রেন
- চূড়ান্ত মৌসুম: উৎসবের সময় ২.৫ কোটি যাত্রী
- বার্ষিক যাত্রী: বার্ষিক ৮৪০+ কোটি যাত্রী
রিজার্ভেশন রেকর্ড
- দৈনিক বুকিং: দৈনিক ২০+ লক্ষ টিকিট
- অনলাইন বুকিং: মোট বুকিংয়ের ৭০%
- চূড়ান্ত মৌসুম: ছুটির সময় ২৫+ লক্ষ বুকিং
- আইআরসিটিসি: বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স পোর্টাল
পরিষেবা রেকর্ড
খাদ্য সরবরাহ পরিষেবা
- দৈনিক খাবার: দৈনিক ১০+ লক্ষ খাবার পরিবেশন
- ই-ক্যাটারিং: অনলাইন খাদ্য অর্ডারিং সিস্টেম
- বেস রান্নাঘর: ১০০+ বেস রান্নাঘর
- অংশীদার: ৫০০+ খাদ্য অংশীদার
পরিচ্ছন্নতা উদ্যোগ
- বায়ো-টয়লেট: ২,৫০,০০০+ বায়ো-টয়লেট স্থাপিত
- স্টেশন পরিচ্ছন্নতা: প্রধান স্টেশনে ১০০% বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
- স্বচ্ছ রেল: পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- পুরস্কার: স্টেশনের জন্য পরিচ্ছন্নতা পুরস্কার
মালবাহী রেকর্ড
মালবাহী কার্যক্রম
মালবাহী পরিমাণ
- দৈনিক মালবাহী: দৈনিক ৩+ কোটি টন মালবাহী
- বার্ষিক মালবাহী: বার্ষিক ১,২০০+ কোটি টন
- রাজস্ব: মোট রেলওয়ে রাজস্বের ৬৫%
- বৃদ্ধি: ৮-১০% বার্ষিক বৃদ্ধির হার
মালবাহী বিভাগ
- কয়লা: মালবাহী পরিমাণের ৪৫%
- লৌহ আকরিক: ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল
- সিমেন্ট: নির্মাণ সামগ্রী পরিবহন
- খাদ্যশস্য: অপরিহার্য পণ্য পরিবহন
কন্টেইনার কার্যক্রম
কন্টেইনার রেকর্ড
- কন্টেইনার ট্রেন: দৈনিক ২০০+ কন্টেইনার ট্রেন
- বেসরকারী টার্মিনাল: ৬০+ বেসরকারী কন্টেইনার টার্মিনাল
- পরিমাণ: দৈনিক ১,০০০+ টিইইউ পরিচালিত
- বৃদ্ধি: ১৫% বার্ষিক বৃদ্ধি
নিরাপত্তা রেকর্ড
নিরাপত্তা উন্নতি
দুর্ঘটনা হ্রাস
- দুর্ঘটনার হার: গত দশকে ৭০% হ্রাস
- মারাত্মক দুর্ঘটনা: ৮০% হ্রাস
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা: আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপিত
- প্রশিক্ষণ: উন্নত নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
নিরাপত্তা প্রযুক্তি
- ট্রেন সুরক্ষা: সংঘর্ষ-বিরোধী যন্ত্র
- ট্র্যাক পর্যবেক্ষণ: আধুনিক ট্র্যাক পরিদর্শন ব্যবস্থা
- যোগাযোগ: উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা
- জরুরি প্রতিক্রিয়া: উন্নত জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা
প্রযুক্তিগত অর্জন
উৎপাদন অর্জন
স্বদেশী উৎপাদন
- লোকোমোটিভ উৎপাদন: ১০০% স্বদেশী সক্ষমতা
- কোচ উৎপাদন: উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি
- উপাদান উৎপাদন: সম্পূর্ণ উপাদান বাস্তুতন্ত্র
- প্রযুক্তি হস্তান্তর: সফল প্রযুক্তি হস্তান্তর
গুণমান মানদণ্ড
- আইএসও সার্টিফিকেশন: একাধিক আইএসও সার্টিফিকেশন
- গুণমান নিয়ন্ত্রণ: কঠোর গুণমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পরীক্ষার সুবিধা: আধুনিক পরীক্ষার অবকাঠামো
- আরঅ্যান্ডডি: অবিচ্ছিন্ন গবেষণা ও উন্নয়ন
প্রযুক্তি নেতৃত্ব
ডিজিটাল রূপান্তর
- কম্পিউটারাইজেশন: ১০০% কম্পিউটারাইজড কার্যক্রম
- অনলাইন পরিষেবা: ব্যাপক অনলাইন পরিষেবা
- মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন: একাধিক মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন
- ডিজিটাল পেমেন্ট: ডিজিটাল পেমেন্ট সংহতকরণ
উদ্ভাবন রেকর্ড
- সৌরশক্তি: ১৪৪ মেগাওয়াট সৌর ক্ষমতা স্থাপিত
- বায়ো-টয়লেট: স্বদেশী বায়ো-টয়লেট প্রযুক্তি
- জল সংরক্ষণ: জল পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা
- শক্তি দক্ষতা: শক্তি দক্ষতা উদ্যোগ
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
পুরস্কার ও সম্মাননা
বৈশ্বিক পুরস্কার
- এশিয়ার সেরা রেলওয়ে: একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার
- ঐতিহ্য স্বীকৃতি: ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
- নিরাপত্তা পুরস্কার: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পুরস্কার
- পরিবেশগত পুরস্কার: সবুজ রেলওয়ে উদ্যোগ
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
- প্রযুক্তিগত সহায়তা: অন্যান্য দেশকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান
- প্রশিক্ষণ কর্মসূচি: আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
- জ্ঞান ভাগাভাগি: বৈশ্বিক জ্ঞান ভাগাভাগি
- পরামর্শদাতা পরিষেবা: রেলওয়ে পরামর্শদাতা পরিষেবা
কর্মক্ষমতা রেকর্ড
আর্থিক রেকর্ড
রাজস্ব রেকর্ড
- বার্ষিক রাজস্ব: ₹১.৯ লক্ষ কোটি (২০২২-২৩)
- মালবাহী রাজস্ব: ₹১.২ লক্ষ কোটি
- যাত্রী রাজস্ব: ₹৫০,০০০ কোটি
- অন্যান্য রাজস্ব: ₹২০,০০০ কোটি
দক্ষতা রেকর্ড
- কার্যক্রম অনুপাত: ৯০% এর নিচে লক্ষ্য অর্জিত
- সম্পদ ব্যবহার: উন্নত সম্পদ ব্যবহার
- উৎপাদনশীলতা: উন্নত উৎপাদনশীলতা মেট্রিক
- খরচ অপ্টিমাইজেশন: খরচ হ্রাস উদ্যোগ
কর্মসংস্থান রেকর্ড
কর্মীবাহিনী
- মোট কর্মচারী: ১২+ লক্ষ কর্মচারী
- নারী কর্মচারী: ১+ লক্ষ নারী কর্মচারী
- অফিসার ক্যাডার: ৫০,০০০+ অফিসার
- প্রযুক্তিগত কর্মী: ৩+ লক্ষ প্রযুক্তিগত কর্মী
প্রশিক্ষণ রেকর্ড
- প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান: ৫০+ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান
- বার্ষিক প্রশিক্ষণ: বার্ষিক ২+ লক্ষ কর্মচারী প্রশিক্ষিত
- দক্ষতা উন্নয়ন: অবিচ্ছিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন
- আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ: আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
ভবিষ্যত অর্জন
চলমান প্রকল্প
উচ্চ-গতির রেল
- মুম্বাই-আহমেদাবাদ উচ্চ-গতির রেল: প্রথম উচ্চ-গতির করিডোর
- গতি: ৩২০ কিমি/ঘণ্টা কার্যকরী গতি
- প্রযুক্তি: জাপান থেকে শিনকানসেন প্রযুক্তি
- সময়সীমা: লক্ষ্য সম্পূর্ণকরণ ২০২৬
ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর
- পূর্ব ডিএফসি: ১,৮৫৬ কিমি পূর্ব করিডোর
- পশ্চিম ডিএফসি: ১,৫০৬ কিমি পশ্চিম করিডোর
- অগ্রগতি: ৯০% নির্মাণ সম্পন্ন
- সুবিধা: ভিড়মুক্তকরণ, দ্রুত মালবাহী চলাচল
লক্ষ্য অর্জন
ভিশন ২০৩০
- নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ: ১,২০,০০০ কিমি নেটওয়ার্ক
- উচ্চ-গতির নেটওয়ার্ক: ৪,০০০ কিমি উচ্চ-গতির নেটওয়ার্ক
- সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন: ১০০% বিদ্যুতায়িত নেটওয়ার্ক
- আধুনিক স্টেশন: ৬০০ পুনঃউন্নয়নকৃত স্টেশন
টেকসই লক্ষ্য
- কার্বন নিরপেক্ষ: ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা
- সবুজ শক্তি: ৩০% নবায়নযোগ্য শক্তি
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: ১০০% বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
- জল সংরক্ষণ: জল সংরক্ষণের লক্ষ্য
অনুশীলন প্রশ্ন
প্রশ্ন:০১ [ভারতের দীর্ঘতম চলমান ট্রেন কোনটি?]
A) বিবেক এক্সপ্রেস (ডিব্রুগড়–কন্যাকুমারী) B) হিমসাগর এক্সপ্রেস (কন্যাকুমারী–শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা) C) নবযুগ এক্সপ্রেস (মঙ্গলুরু সেন্ট্রাল–শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা) D) কেরল সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস (কোচুভেলি–চণ্ডীগড়)
সঠিক উত্তর: A ব্যাখ্যা: ডিব্রুগড়–কন্যাকুমারী বিবেক এক্সপ্রেস (১৫৯০৫/১৫৯০৬) প্রায় ৭৫ ঘণ্টায় ৪,১৮৯ কিমি অতিক্রম করে, যা ২০২৬ সালের ভারতীয় রেলওয়ের সময়সূচি অনুযায়ী দূরত্ব ও সময় উভয় দিক থেকেই ভারতের দীর্ঘতম চলমান ট্রেন।Show Answer
A) ঘুম (দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে) B) শিমলা (কালকা-শিমলা রেলওয়ে) C) কাজিগুন্দ (জম্মু–বারামুলা লাইন) D) লেহ (বিলাসপুর–লেহ লাইন, সমীক্ষাধীন)
সঠিক উত্তর: A ব্যাখ্যা: দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ঘুম স্টেশন (গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,২৫৮ মিটার উচ্চতায়) হল ভারতের সর্বোচ্চ রেলওয়ে স্টেশন।Show Answer
A) ১৩০ কিমি/ঘণ্টা
B) ১৬০ কিমি/ঘণ্টা
C) ১৮০ কিমি/ঘণ্টা
D) ২০০ কিমি/ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: C ব্যাখ্যা: ২০২৬ সাল অনুযায়ী, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ভারতীয় রেলওয়ে নেটওয়ার্কের উপযুক্ত অংশে সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতি ১৮০ কিমি/ঘণ্টায় পরিচালিত হয়।Show Answer
A) বগিবিল সেতু
B) ভেম্বানাড় রেল সেতু
C) পাম্বান সেতু
D) গোদাবরী খিলান সেতু
সঠিক উত্তর: A ব্যাখ্যা: আসামে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর বগিবিল সেতু (৪.৯৪ কিমি) হল ভারতের দীর্ঘতম সম্মিলিত রেল-সহ-সড়ক সেতু, যা ডিসেম্বর ২০১৮ সালে চালু হয়।Show Answer
A) ১০.৯৬ কিমি
B) ১১.২০ কিমি
C) ১২.৭৫ কিমি
D) ১৪.১৫ কিমি
সঠিক উত্তর: A ব্যাখ্যা: জম্মু–বারামুলা লাইনের বানিহাল–কাজিগুন্দ অংশে অবস্থিত পীর পাঞ্জাল রেলওয়ে টানেল (টি-৮০ বা বানিহাল রেল টানেল নামেও পরিচিত) হল ২০২৬ সাল অনুযায়ী ভারতের দীর্ঘতম রেলওয়ে টানেল, যার দৈর্ঘ্য ১০.৯৬ কিমি।Show Answer
A) ১.৫ কোটি
B) ২.৫ কোটি
C) ৩.৫ কোটি
D) ৪.৫ কোটি
সঠিক উত্তর: B ব্যাখ্যা: ভারতীয় রেল প্রতিদিন প্রায় ২.৫ কোটি (২৫ মিলিয়ন) যাত্রী বহন করে, যা এটিকে বিশ্বের ব্যস্ততম রেল নেটওয়ার্কগুলির একটি করে তোলে।Show Answer
A) ভারতীয় রেলওয়ে
B) দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে
C) কঙ্কন রেলওয়ে
D) মুম্বাই শহরতলি রেলওয়ে
সঠিক উত্তর: B ব্যাখ্যা: দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর), যা ১৮৮১ সালে চালু হয়, ১৯৯৯ সালে “মাউন্টেন রেলওয়েজ অফ ইন্ডিয়া” নামে এর অসামান্য প্রকৌশল ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের জন্য ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়।Show Answer
A) ₹১.২ লক্ষ কোটি
B) ₹২.৪ লক্ষ কোটি
C) ₹৩.৫ লক্ষ কোটি
D) ₹৪.৮ লক্ষ কোটি
সঠিক উত্তর: B ব্যাখ্যা: ভারতীয় রেলের ২০২৫-২৬ সালের জন্য অস্থায়ী রাজস্ব প্রায় ₹২.৪ লক্ষ কোটি বাজেট করা হয়েছে, যাতে যাত্রী, মালবাহী ও অন্যান্য আয় অন্তর্ভুক্ত।Show Answer
A) দিল্লি–আগ্রা আধা-উচ্চ গতির করিডোর
B) মুম্বাই–আহমেদাবাদ উচ্চ-গতির রেল করিডোর
C) চেন্নাই–বেঙ্গালুরু–মাইসুরু এইচএসআর করিডোর
D) দিল্লি–বারাণসী উচ্চ-গতির রেল করিডোর
Show Answer
সঠিক উত্তর: B
ব্যাখ্যা: মুম্বাই–আহমেদাবাদ উচ্চ-গতির রেল করিডোর (এমএএইচএসআর), যা সাধারণত ভারতের বুলেট-ট্রেন প্রকল্প নামে পরিচিত, দেশের প্রথম কার্যকরী উচ্চ-গতির রেল লাইন, যা ২০২৬ সালে চালু হওয়ার নির্ধারিত।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বিশ্ব রেকর্ড
- চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক: বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম
- বৃহত্তম নিয়োগকর্তা: বৈশ্বিকভাবে চতুর্থ বৃহত্তম নিয়োগকর্তা
- দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম: বিশ্বের দীর্ঘতম রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম
- সর্বোচ্চ সেতু: বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলওয়ে সেতু (নির্মাণাধীন)
জাতীয় রেকর্ড
- দীর্ঘতম ট্রেন পরিষেবা: ১৬৫+ বছর ধরে অবিচ্ছিন্ন পরিষেবা
- বৃহত্তম যাত্রীবাহী বাহক: বার্ষিক ৮৪০+ কোটি যাত্রী বহন করে
- বৃহত্তম মালবাহী বাহক: বার্ষিক ১,২০০+ কোটি টন মালবাহী পরিবহন করে
- সবচেয়ে বেশি সংযুক্ত: প্রতিটি প্রধান শহরকে সংযুক্ত করে
আধুনিক অর্জন
- ১০০% কম্পিউটারাইজেশন: সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজেশন
- ৭০% বিদ্যুতায়ন: প্রধান নেটওয়ার্ক বিদ্যুতায়িত
- ডিজিটাল পরিষেবা: ব্যাপক ডিজিটাল পরিষেবা
- সবুজ উদ্যোগ: পরিবেশগত টেকসইতা